২৩৫। (১) লেনদেনের প্রকৃতি, নির্ভরযোগ্য তথ্যের প্রাপ্যতা, সম্পাদিত কার্যাদি, নিযুক্ত সম্পদ, গৃহীত ঝুঁকি কিংবা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য ফ্যক্টরের ভিত্তিতে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি সমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা উপযুক্ত পদ্ধতি (method) অনুসারে আন্তর্জাতিক লেনদেন সংক্রান্ত আর্মস লেংথ প্রাইস নির্ধারণ করিতে হইবে, যথা:- (ক) কমপারেবল আনকন্ট্রোলড প্রাইস মেথড (comparable uncontrolled price method); (খ) রিসেল প্রাইস মেথড (resale price method); (গ) কস্ট প্লাস মেথড (cost plus method); (ঘ) প্রফিট স্প্লিট মেথড (profit split method); (ঙ) ট্রানজেকশনাল নেট মার্জিন মেথড (transactional net margin method); (চ) অন্য…